বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা (মাদ্রাসা)-২০২৬ অনুযায়ী যোগ্য সংযুক্ত ইবতেদায়ি শিক্ষক, মৌলভী ও ক্বারীদের ১৩তম গ্রেড প্রদানের সংশোধনী ফাইল প্রায় চার মাস ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক ফোরাম।
দীর্ঘসূত্রিতার কারণে দেশের প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক তাদের ন্যায্য গ্রেড থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি সংগঠনটির।বঞ্চনার অবসান চেয়ে ১৬ হাজার ইবতেদায়ি শিক্ষকেরা শিক্ষা মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সংগঠনের নেতারা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ফাজিল, স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী ইবতেদায়ি শিক্ষক, মৌলভী ও ক্বারীরা নীতিমালা অনুযায়ী ১৩তম গ্রেড পাওয়ার যোগ্য। এ বিষয়ে গত ৭ এপ্রিল ২০২৬ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সংশোধনী ফাইলটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে পাঠালেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সরকারি আদেশ জারি হয়নি।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহিন সিকদার বলেন, শিক্ষা মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো ফাইল তিন কার্যদিবসের বেশি আটকে থাকার কথা নয়। অথচ তাদের ফাইলটি চার মাস ধরে মন্ত্রণালয়ে পড়ে রয়েছে, ফলে হাজারো শিক্ষকের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে।
প্রচার সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন বলেন, এমপিওভুক্ত ৮ হাজার ২২৯টি মাদ্রাসার ইবতেদায়ি শাখায় কর্মরত প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক, মৌলভী ও ক্বারী ১২ লাখ শিক্ষার্থীর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করছেন। একই শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো ১৩তম গ্রেড না পাওয়ায় তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
ফোরামের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপে সংশোধনী ফাইলটি দ্রুত নিষ্পত্তি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এবং চূড়ান্ত সরকারি আদেশ (জিও) জারির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবি জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :