এসপি মাসুদের কাছে দোযখ ও জাহান্নামের পার্থক্য জানতে চাইলেন সন্ত্রাসী রায়হান

অনলাইন ডেস্ক , প্রতিদিনের কাগজ

প্রকাশিত: ০৪ আগস্ট, ২০২৬, ০১:২৫ পিএম

এসপি মাসুদের কাছে দোযখ ও জাহান্নামের পার্থক্য জানতে চাইলেন সন্ত্রাসী রায়হান

ফাইল ফটো

পুলিশের অভিযান থেকে পালিয়ে যাওয়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান আলম এবার স্যোশাল মিডিয়ায় সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলমকে।

নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এসপিকে উদ্দেশ করে রায়হান লিখেছেন, ‘দোযখ আর জাহান্নামে তফাৎ কী মাসুদ স্যার?’

গত রোববার তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই স্ট্যাটাস দিলেও বিষয়টি সোমবার (৩ জুলাই) জানাজানি হয়।

সম্প্রতি নোয়াখালীতে এক অভিযানে রায়হানকে প্রায় ধরে ফেলেছিল পুলিশ। তবে শেষ মুহূর্তে ছাদ থেকে লাফিয়ে গ্রেপ্তার এড়িয়ে পালান তিনি। পরদিন এক সংবাদ সম্মেলনে এসপি মাসুদ আলম মন্তব্য করেছিলেন, ‘রায়হান কোনোভাবে ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে গেছে। তবে সে জাহান্নাম না দেখলেও দোযখ দেখে ফেলেছে।’ 

ধারণা করা হচ্ছে, পুলিশ সুপারের সেই মন্তব্যের জের ধরেই ফেসবুকে এই পোস্ট দিয়েছে রায়হান।

একই পোস্টে রায়হান নোয়াখালীর স্থানীয় কিছু বাসিন্দাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লিখেছে, ‘ধন্যবাদ নোয়াখালী রংমালার মানুষদের। তারা এমন নিখুঁতভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।’ 

পোস্টে রায়হান আরও উল্লেখ করেছেন, বিপদে সব ধরনের মানুষই সাহায্য আশা করে, যা সে নোয়াখালী থেকে পেয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘বিপদ আসবেই, তাই বলে হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই।’

এদিকে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম নিজেই সন্ত্রাসী রায়হানের এই ফেসবুক পোস্টের বিষয়টি সামনে আনেন।

সংবাদ সম্মেলনে এসপি মাসুদ আলম বলেন, ‘আমরা তাকে ধরতে ওই এলাকায় প্রায় ৫ ঘণ্টা চিরুনি অভিযান চালিয়েছিলাম। হতে পারে কেউ তাকে পালিয়ে যেতে কিংবা লুকাতে সাহায্য করেছিল। কিন্তু সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া সেটা তো আমরা বলতে পারব না।’

রায়হানের পোস্টে নোয়াখালীবাসীকে ধন্যবাদ জানানোর প্রসঙ্গে এসপি বলেন, ‘পুরো নোয়াখালীবাসী তো আর তাকে সাহায্য করেনি। হতে পারে গুটি কয়েক লোক জেনে বা না জেনে তাকে আশ্রয় দিয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সিয়াম সরিষা
Link copied!