সিংগাইরে রাস্তা সংস্কার করে প্রশংসায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী রুহুল আমিন

এস এম সানোয়ার , সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম

সিংগাইরে রাস্তা সংস্কার করে প্রশংসায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী রুহুল আমিন

ফাইল ফটো

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার দীর্ঘদিনের বেহাল ও চলাচলের অনুপযোগী গ্রামীণ সড়ক নিজ অর্থায়নে সংস্কার করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন জামির্ত্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সমাজসেবক হাজী মোহাম্মদ রুহুল আমিন। সম্প্রতি ইউনিয়নের কাঞ্চননগর বটতলা থেকে হাটনি মূল সড়ক এবং পানিশাইল এলাকার বিএসসির বাড়ি থেকে আবুলের দোকান পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার কাঁচা সড়ক সংস্কার ও মেরামত করে দেন তিনি। বর্ষা মৌসুমে এসব সড়কে পানি জমে কাদা সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল।

স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে রুহুল আমিন নিজ উদ্যোগে ও নিজ অর্থায়নে সড়কগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেন। সংস্কারের পর বর্তমানে পথচারী ও স্থানীয় যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এ উদ্যোগের জন্য স্থানীয়রা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, জামির্ত্তা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার অনেক গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। তাই এসব সড়ক সংস্কারের পাশাপাশি স্থায়ীভাবে পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকার সমাজসেবক ও শিক্ষক আলাউদ্দিন বলেন, “তরুণ সমাজের আইকন হাজী মোহাম্মদ রুহুল আমিন। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ যে রাস্তা নিয়ে ভোগান্তিতে ছিল, তিনি নিজ অর্থায়নে সেটি সংস্কার করে দিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তাকে দেখা যায়। চলাচলের অনুপযোগী রাস্তা সংস্কার করে দেওয়ায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই। স্থানীয়দের দাবি, সংস্কার করা সড়কগুলো দ্রুত স্থায়ীভাবে পাকাকরণ করা হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন এলাকার মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ পথচারীদের চলাচল আরও সহজ হবে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, “জামির্ত্তা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার রাস্তার বেহাল দশা দেখে আমি নিজ দায়িত্বে সেগুলো সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি চেয়ারম্যান হই বা না হই, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখব। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। আমার লক্ষ্য একটাই—প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সমাজের গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও যেন মানুষের পাশে থাকতে পারি, সেজন্য সবার দোয়া চাই।”

এছাড়া রুহুল আমিনের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, অসহায় ও দরিদ্রদের মধ্যে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ এবং বিভিন্ন এতিমখানায় সহায়তা দেওয়াসহ নানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

Link copied!