রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় হামিদ মৃধার হাটে গুরুতর অসুস্থ একটি বাছুর গরু জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ভক্ষণ অযোগ্য প্রায় এক থেকে দেড় মণ মাংস মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে চর দৌলতদিয়া হামিদ মৃধার হাটে হাসান মোল্লার মাংসের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মুনতাসির হাসান খান। এ সময় টের পেয়ে মাংস বিক্রেতা ও কসাই হাসান মোল্লা সেখান থেকে পালিয়ে যান। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মুনতাসির হাসান খাঁন জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অসুস্থ পশুর জবাইকৃত মাংস জব্দ করে ভক্ষণ অযোগ্য ঘোষণা করে মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করি এবং ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিলগালা করি। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মোবাইল কোড এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ ওই গরুটি হাসান কসাই উপজেলার চর মহিদাপুর গ্রামের কৃষক মোঃ আলম খানের কাছ থেকে কিনেছিলেন। এ বিষয়ে আলম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তার বাছুর গরুর বয়স ১৫ মাস ছিল। গত কয়েকদিন ধরে সে প্রচণ্ড ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে কাহিল হয়ে পড়ে। গরুটি সুস্থ না হওয়ায় মোঃ বাদশা নামের একজনের মাধ্যমে মাত্র ৫ হাজার টাকায় গরুটি হামিদ মৃধার হাটের কসাই মোঃ হাসান মোল্লার কাছে বিক্রি করে দেন। হাসান তার বাড়ির উঠান হতেই গরুটি জবাই করে মাংস বাজারে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, তিনি একজন সাধারণ কৃষক। অসুস্থ গরু জবাই করা বা মাংস বিক্রির আইন সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।
আপনার মতামত লিখুন :