ঢাকার পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও পরে গলা কেটে হত্যাকারি প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্নার দ্রুত ফাঁসি চান নিহত শিশু রামিসার স্বজনরা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে স্কুলে পাঠানোর জন্য রামিসাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে,প্রতিবেশী সোহেল রানার বাসায় যান রামিসার পরিবার, সেখানে গিয়ে দরজার সামনে রামিসার জুতা দেখতে পেয়ে, দরজায় নক করলে, ঘাতক সোহেলের স্ত্রী দরজা খুলতে দেরি করে, পরবর্তীতে সেখানে গিয়ে, রামিসার খন্ডিত লাশ পাওয়া যায়, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাতে আটক করে।
২০মে বুধবার বাদ এশা মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা গ্রামের নিজ বাড়ী মধ্যম শিয়ালদি মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাযার নামাজ শেষে, পারিবারিক কবরস্থানের রামিসাকে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে রামিসার চাচাতো ভাই রানা মোল্লা জানান, বোন হারিয়েছি তাকে তো পাবোনা, আমার শিশু বোনটা যে বয়সে পুতুল নিয়ে খেলার কথা সে বয়সে তার উপরে এই নির্যাতন ভাই হয়ে কিভাবে সহ্য করি, মানুষ মরণশীল তাই বলে ছোট্ট একটা শিশু এভাবেই তাকে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হবে, আমি শুধু অপরাধীর বিচার চাই, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, এই অপরাধীকে যেন জনসমক্ষে এনে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যাতে করে এই শাস্তি দেখে অন্যরা ভয় পায়, আমি আমার বোনকে হারিয়েছি আর কেউ যেন তার বোন তার সন্তান কে না হারায়।
৯০ বছর বয়সী রামিসার দাদা মজিবুর রহমান জানান, আমি আমার নাতনির হত্যাকারীদের বিচার চাই, আমি মৃত্যুর আগে এই বিচার দেখে যেতে চাই।
আপনার মতামত লিখুন :