বগুড়ার সোনাতলায় যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলতে এবং ক্রীড়াঙ্গনের বিকাশে শুক্রবার (৫ জুন) প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিকেলে সোনাতলা মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ খেলায় অংশগ্রহণ করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল একাডেমি ও সোনাতলা ফুটবল একাডেমি।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৬০ মিনিটের খেলায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় সোনাতলা ফুটবল একাডেমি। প্রথমার্ধে একটি এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি গোল করে স্বাগতিক দল। ফলে ২-০ গোলের ব্যবধানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল একাডেমিকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করে সোনাতলা ফুটবল একাডেমি।
খেলা শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী একেএম আহসানুল হাবিব রাজা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনাতলা পৌর বিএনপির সভাপতি আবু নাছের ওয়াহেদ নবেল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মণ্ডল, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জরিফুল ইসলাম, উপজেলা জিসাসের সাধারণ সম্পাদক নাসিরুল ইসলাম নাসির, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সামিদুল ইসলাম, সোনাতলা সমবায় দলের পৌর শাখার সভাপতি মোস্তাক আহম্মেদ লিটন, উপজেলা শ্রমিক দল নেতা লিটন মিয়া বিটু, পৌর যুবদল নেতা আব্দুল মজিদ, পৌর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের সহ-সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আহসান হাবিব, সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক তারাজুল ইসলাম, সোনাতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা দল নেত্রী রঞ্জনা খান, মহিলা দল নেত্রী কুলসুম বেগম, মহিলা দল নেত্রী মনি খাতুন প্রমুখ।
আয়োজকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনাতলা ফুটবল একাডেমির সভাপতি জালাল উদ্দিন বুলু মহুরী, প্রতিষ্ঠাতা রাকিব হোসেন জুয়েল, উপজেলা জাসাসের সভাপতি ও সোনাতলা ফুটবল একাডেমির সহ-সভাপতি উজ্জ্বল হোসেন খোকন সহ একাডেমির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে একেএম আহসানুল হাবিব রাজা বলেন, "খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখে। একটি সুস্থ, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। সোনাতলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করতে এবং তরুণ খেলোয়াড়দের বিকাশে সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আজকের এই প্রীতি ম্যাচ দুই দলের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
খেলা উপভোগ করতে স্টেডিয়ামে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ম্যাচ শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানানো হয় এবং উভয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :