বসত বাড়ী ভাংচুর ও গাছপালা জোরমালে কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন প্রভাবশালী লোকের বিরুদ্ধে। দিগদাইর গ্রামের নাসির খন্দকার, বাট্টা গ্রামের শাহিন আলম, রুবেল ভূঞা, ও চিথোলিয়া গ্রামের গোলাম মোস্তুফার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠে।
জানা গেছে, গত ০৬ জুন শনিবার প্রকাশ্যে দিবালোকে তারা পৌর শহরের কান্দিউড়া সাহাপাড়ায় মৃত সুভাষ বিশ্বাসের বাড়ীতে গিয়ে হামলা ভাংচুর ও গাছপালা কেটে নিয়ে যায়। ০৮ জুন সোমবার দুপুরে কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলেন দিলিপ কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী লক্ষ্মীরানী বিশ্বাস ও তার ছেলে উজ্জল বিশ্বাস। তাদের অভিযোগ সুভাষ বিশ্বাসের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী মিলন রানী বিশ্বাস এক বছর আগে ৮৬ শতাংশ ভূমির মধ্যে ৭৫ শতাংশ ভূমি বিক্রি করে দেন। ওই ভূমি আমার মামী মিলন রানী বিশ্বাসের ভোগ দখলের অধিকার আছে। কিন্তু একা বিক্রি করার কোন অধিকার নেই। ২০২২ সাল থেকে ওই ভূমি নিয়ে নেত্রকোণা আদালতে মামলা দায়ের করা আছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও তিনি কৌশলে জমি বিক্রি করে দেন। যে ভূমিতে সরকারী আইন মোতাবেক আমাদেরও অংশ আছে। উজ্জল বিশ্বাস আরো বলেন এটা আমার মামার বাড়ী হলেও আমার বসতবাড়ী। কারণ আমি আমার মামার মৃত্যুর আগ থেকেই এখানে বসবাস করি। আমি কান্দিউড়া গ্রামের ভোটার। আমার বসত বাড়ীর ভাংচুর ও গাছপালা জোরমালে কেটে নেওয়ার পর আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে যাই।
কিন্তু থানা পুলিশ আমাদের অভিযোগ নেয়নি। এ ব্যাপারে নাসির খন্দকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই জমির প্রকৃত মালিক মিলন রানী বিশ্বাস আমার কাছে বিক্রি করেছেন। আমি এই জমি খরিদ করার পর সরকারী নিয়ম মোতাবেক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের মাধ্যমে নামজারী জমা খারিজ করি। উজ্জল বিশ্বাসের পৈতৃক ভিটা বাড়ী দাবি করে যে অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ এটা তাদের মামার বাড়ী। এছাড়া জোরামলে বসত বাড়ী ভাংচুর ও গাছ পালা কেটে নেওয়ার যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তাও সত্য নয়।
এদিকে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেহেদী মাকসুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তার ভাষ্য, এই ভূমি নিয়ে আদালতে মামলা মোকদ্দমা চলমান আছে। সুতরাং আদালতে মামলা থাকার পর এখানে নতুন করে থানায় কোন মামলা নেওয়ার সুযোগ নেই। আমি তাদের কে সেই পরামর্শই দিয়েছি। আদালতের নির্দেশনা পেলে ওই ভূমির বিষয়ে যে কোন মামলা থানায় নেওয়া যাবে।
আপনার মতামত লিখুন :