ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাঙামাটিয়া ইউনিয়নের বানার নদীর উপর নতুন দুটি কাঠের সেতু নির্মাণ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দ ও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
নবনির্মিত সেতু দুটির একটি আকতা গাঙিনাপাড় ও আনুহাদী গ্রামকে সংযুক্ত করার পাশাপাশি আরেকটি বিষ্ণুরামপুর এবং পাহাড় অনন্তপুর খালপাড় এলাকাকে সংযুক্ত করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেতু দুটির মাধ্যমে দুই অঞ্চলের চারটি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন। বিশেষ করে কৃষকরা এখন সহজেই তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে পরিবহন করতে পারছেন। এছাড়া স্কুল, মাদরাসা ও কলেজগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতও নিরাপদ হয়েছে।
সেতু নির্মাণে সহযোগিতা করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দুই পাড় সংশ্লিষ্ট রাঙামাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ জন ইউপি সদস্য। এসময় তারা ভবিষ্যতে এখানে একটি টেকসই পাকা সেতু নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছেন।
রাঙামাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুক্তা বলেন, দুই পাড়ের ৪টি গ্রামের ১৪ থেকে ১৫ হাজার মানুষ সেতু দুটি দিয়ে চলাচল করে। এখানে বারবার কাঠের সেতু করা হয়েছে। কিন্তু পানির স্রোত আর বেশি মানুষের চলাচল হওয়ায় তা কয়েক বছরেই ভেঙে যায়। তাই স্থায়ীভাবে মানুষের কষ্ট লাঘবে কাঠের সেতুর পরিবর্তে পাকা সেতু নির্মাণ অতীব জরুরি।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ীয়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন বলেন, স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আপাতত কাঠের নতুন সেতু দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে স্থায়ী পাকা ব্রিজ নির্মাণের ব্যাপারে কাজ করা হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব এখানে পাকা সেতু নির্মাণ করা হবে।
জানা গেছে, আকতা গাঙিনাপাড় ও আনুহাদী গ্রামকে সংযোগকারী সেতুটি ১১০ ফুট এবং বিষ্ণুরামপুর ও পাহাড় অনন্তপুর খালপাড় এলাকাকে সংযোগকারী সেতুটির দৈর্ঘ্য ৮০ ফুট।
আপনার মতামত লিখুন :