বিএনপি-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১৬

অনলাইন ডেস্ক , প্রতিদিনের কাগজ

প্রকাশিত: ২০ জুন, ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় পূর্ব বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল এবং কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার সকালে উপজেলার ফলসী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে সন্দেহের জেরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রকিবুল ইসলামকে মারধরের ঘটনা ঘটে। রকিবুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের ছোট ভাই।

এই ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে বোয়ালিয়া গ্রামে চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের সমর্থকদের সঙ্গে বিএনপির সমর্থক ও সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমানের অনুসারীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে অন্তত ১৬ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন ছানোয়ার হোসেন ছনো, মিজান আলী, বিভান আলী, ঝন্টু মিয়া, মতিয়ার রহমান, আক্তার মোল্লা, রাশিদুল ইসলাম, বরকত মোল্লা, ফেন্টু মিয়া, মশিয়ার মেম্বার, গোলাপফার, তোজিবার মোল্লা, কবির মণ্ডল, রুবেল মণ্ডল, কাবিল, তোতা মিয়া, নুর আলী ও বাচ্চু মিয়া।

গুরুতর আহত পাঁচজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে এবং আরও তিনজনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান অভিযোগ করেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানপক্ষ তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে তাদের অন্তত ছয় থেকে সাতজন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হরিণাকুণ্ডু থানার তদন্ত কর্মকর্তা অসিত কুমার রায় জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Link copied!