ফরিদপুর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদর জোনের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম। গত ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ নসরুল ইসলাম, পিপিএম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই বদলি কার্যকর করা হয়।
ডিবির নতুন ওসি হিসেবে তাঁর যোগদানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফরিদপুরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ডাকাত ও চাঁদাবাজদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও কাঁপন সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম এর আগেও ডিবির ওসি হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সময়ে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে অপরাধ দমনে তিনি ছিলেন আপসহীন। দলমত নির্বিশেষে কোনো পক্ষের মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেননি তিনি।
তাঁর পূর্বের কার্যকালে ফরিদপুরে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার হয়েছিল, যা জেলা পুলিশের ইতিহাসে অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। তৎকালীন নানামুখী রাজনৈতিক চাপ বা তদবির উপেক্ষা করেও অপরাধ দমনে তাঁর কঠোর অবস্থান সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছিল।
একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, অতীতের মতো এবারও মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম যাতে মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালাতে না পারেন, সেজন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর নীল নকশা তৈরি রছে। বিশেষ করে অপরাধ দমনে তাঁর নিরপেক্ষ অবস্থানের কারণে কোণঠাসা হয়ে পড়া একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন উপায়ে নতুন ওসির বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করতে পারে।
সচেতন মহলের অভিমত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, যারা মাঠ পর্যায়ে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন ডিবির ওসির সততা ও কর্মদক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে বা অপপ্রচার চালাবে, খোঁজ নিলে দেখা যাবে তারা প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে মাদক কারবার বা অপরাধ জগতের সাথে জড়িত। অপরাধীদের এই অপকৌশল রুখে দিতে জেলা পুলিশকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ফরিদপুর জেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত করতে ডিবির নতুন ওসির এই যোগদান অত্যন্ত ইতিবাচক ও কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ফরিদপুরের সাধারণ জনগণ।
আপনার মতামত লিখুন :