আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হয়েছেন—এমন দাবি উঠেছে একটি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গত দুই বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে যুক্ত হয়েছেন বা নিজেরাই অনলাইন সংবাদমাধ্যম চালু করে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করছেন।
সূত্রটির দাবি অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি এমন প্রবণতা চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে দেখা গেছে। তাদের ভাষ্য, এই দুই বিভাগে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তি বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। এছাড়া রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলেও জাতীয় পার্টির কয়েকশ নেতাকর্মী সাংবাদিক পরিচয়ে সক্রিয় রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্র আরও দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি এবং দাবিগুলোর স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।
এদিকে, পেশাদার সাংবাদিকদের একটি অংশের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যেও কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় গ্রহণ করছেন বলে তাদের ধারণা।
এদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ শহিদুল ইসলাম নামে মামলা হলেও তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। তাকে বেশিভাগ সময় ডিএমপি বিভিন্ন থানা ও পুলিশ অধিদপ্তরের ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায় এবং ভাঙ্গা থানায় আড্ডায় বসে থাকতেও দেখা যায় ।
একই ব্যক্তিকে দৈনিক প্রলয় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কাছে ১ জুলাই প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। যা তদন্ত শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থা।

আপনার মতামত লিখুন :