কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎ না দেওয়া, অপেক্ষায় বসিয়ে রাখা, ফোন না ধরা এবং বক্তব্যের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য নিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন কয়েকজন সাংবাদিক। দৈনিক আমার দেশ-এর কুমিল্লা প্রতিনিধি এম হাসান মামলা প্রত্যাহার ও নিষ্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য জানতে গেলে ভিজিটিং কার্ড নেওয়ার পর তাকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। সরাসরি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলার অনুরোধেও সাড়া মেলেনি।
ডিবিসির কুমিল্লা প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে প্রায় ১০ মিনিট অপেক্ষার পর তাকেও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলামের কাছে পাঠানো হয়। তার দাবি, জেলা প্রশাসকের বক্তব্য নেওয়ার আগ্রহ জানালেও শেষ পর্যন্ত এডিসির বক্তব্য নিয়েই প্রতিবেদন করতে হয়েছে।
একই ধরনের অভিযোগ করেছেন আরও কয়েকজন সাংবাদিক। এমনকি জেলা প্রশাসকের ফোন না ধরে হোয়াটসঅ্যাপে এডিসির সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সাংবাদিক নেতারা বলছেন, জেলা প্রশাসক জেলার প্রশাসনিক প্রধান। জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয় বক্তব্য তার কাছ থেকেই পাওয়া উচিত। তাকে এড়িয়ে চলার কারণে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক রোজী আক্তারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :