ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিটের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের বহু কর্মকর্তা রাতের ভোট ডাকাতিতে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নির্বাচনের আগের রাতেই ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়া এবং ভুয়া ভোট প্রদানের কাজে এসব সদস্য নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মনিরুল ইসলাম, কৃষ্ণপদ রায়, মীর রেজাউল আলম ও আবদুল বাতেনসহ কর্মকর্তারা নেতৃত্বের প্রধান সারিতে ছিলেন। এছাড়া ডিবি ও সিটিটিসি ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা বেশ কয়েকজনকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মাহবুব আলম, শেখ নাজমুল আলম, মনির হোসেন ও সিটিটিসির উপ-পুলিশ কমিশনার প্রলয় কুমার জোয়ারদার।
ডিএমপির বিভিন্ন বিভাগের অধীন দায়িত্বে থাকা উপ-পুলিশ কমিশনারদের মধ্যেও অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে তেজগাঁওয়ের বিপ্লব কুমার সরকার, গুলশানের এসএম মোস্তাক আহমেদ খান, রমনার মারুফ হোসেন সরদার, মতিঝিলের আনোয়ার হোসেন, উত্তরার নাবিদ কামাল শৈবাল, লালবাগের মোহাম্মাদ ইব্রাহীম খানসহ আরও অনেকে রয়েছেন।
এছাড়া ডিবি, সিটিটিসি, সোয়াট এবং অন্যান্য ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ও সহকারী পুলিশ কমিশনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও একই রকম অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে আবদুল মান্নান, কাজী শফিকুল আলম, মো. শাহজাহান, জাহাংগীর আলম, মাহফুজা লিজা, জাহিদুল হক তালুকদার, আহমেদুল ইসলাম, গোলাম সাকলায়েনসহ বহু কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে।
অভিযোগকারী সূত্রের দাবি, এসব কর্মকর্তা সমন্বিতভাবে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নষ্ট করেছেন এবং জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছেন। এ বিষয়ে ডিএমপি বা পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন :