শরীফ ওমর টুটুল গাজীপুর মহানগর: ডাকাতি মামলায় ফাঁসানো এবং ডিজিটাল মাধ্যমে মানহানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মা ফরিদা ইয়াসমিন ও তার পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে তিনি বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে আমার ছেলে রাহুলকে পরিকল্পিতভাবে ডাকাতি মামলায় জড়ানো হয়েছে।
গাজীপুর মহানগরীর কলমেশ্বরে নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাহুলের পরিবার জানায়, প্রকৃতপক্ষে যে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার দেখানো হয়েছে, তা গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৭ তারিখে অন্য এক ব্যক্তির কসাই ফারুকের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। অথচ পুলিশ তা গোপন রেখে মার্চ মাসের ১২ তারিখে রাহুলের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেখিয়ে মিথ্যাভাবে উদ্ধার দেখিয়েছে।
তারা আরও লিখিত বক্তব্যে জানান, গাছা থানার এসআই (উপ-পরিদর্শক) আনোয়ার হোসেনসহ কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাহুলকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, রাহুলকে হয়রানি করার পাশাপাশি তার মায়ের ছবি বিকৃত করে ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকরভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। পাশাপাশি মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং প্রকৃত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ বিষয়ে গাছা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. এরশাদুর রহমান বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাহুলের বিরুদ্ধে এই মামলা ছাড়াও আরও ৭টি মামলার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশ বা কোনো নেতার সম্পৃক্ততা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
আপনার মতামত লিখুন :