শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দ্রুতই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সংশোধিত আইনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নকল প্রতিরোধ এবং পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞায় বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, "শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা নয়, বিসিএস, ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি নিয়োগ পরীক্ষাও এই আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এতে করে নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করে কেউ পার পেয়ে যেতে পারবে না।"
বিগত সরকারের আমলের অনিয়ম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতীতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিক্রির মাধ্যমে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি। বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতের এই ধস নামার পেছনের কারণগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ড. এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার তালিকায় শিক্ষা খাত অন্যতম। সরকার এই খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।"
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি সেক্টরের মান উন্নয়নে নিবিড়ভাবে কাজ করার বিষয়েও তিনি কেন্দ্রসচিবদের আশ্বস্ত করেন। বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :