গাবতলীতে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু

আহসান হাবিব শিবলু , গাবতলী (বগুড়া) সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে পৃথক দুটি ঘটনায় দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে বজ্রপাতে এক যুবক এবং সোমবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে এক পান ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রথম ঘটনাটি ঘটে গত রোববার বিকেলে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে। মৃত যুবকের নাম সুমন প্রামানিক (৩৫), তিনি ওই গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ঝড়-বৃষ্টির সময় মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতের কবলে পড়েন সুমন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে গাবতলী থানা পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এদিকে সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের লাঠিগঞ্জ বাজারে ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে উমা চন্দ্র (৫২) নামে এক পান ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত উমা চন্দ্র চকরাধিকা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত কালিদাসের ছেলে। জানা গেছে, ভোরে তিনি নিজ পানের দোকানে ঘুমিয়ে ছিলেন। কালবৈশাখী ঝড়ে পাশের একটি বিশাল বটগাছ দোকানের ওপর উপড়ে পড়লে তিনি নিচে চাপা পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গাছ কেটে তাঁকে উদ্ধার করলেও ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হোসেন দুটি মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “কালবৈশাখী ও বজ্রপাতের মৌসুমে সবাইকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ গাছ বা হাট-বাজারে পুরোনো গাছের নিচে অবস্থান করা অত্যন্ত বিপজ্জনক।”

তিনি আরও বলেন, জননিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উচিত প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

Link copied!