গাজীপুরের শ্রীপুরে বাকীর ঘটনা কে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের গুলি,আতংকে সাধারণ ব্যবসায়ী।
ঘটনা সূত্র, বাকীতে দোকানের মাল না দেয়ায় হাতাহাতি ঘটনায় তিন রাউন্ড গুলি ছুড়ে আতঙ্ক ছড়ানো হয়। এসময় হামলায় পাঁচ জন আহত হয়েছে।
গত ১২ মে (মঙ্গলবার) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায় হাজী কাছম আলী ফকির সুপার মার্কেটে নিউ জামালপুর গ্লাস এন্ড থাই এলুমিনিয়াম ফেক্টর নামে দোকানের এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, মার্কেটের মালিক হাজী কাছম আলী ফকিরের ২য় ছেলে কামাল ফকির, তার ভাগিনা সিয়াম,ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক শাহিন,কর্মচারী শান্ত ও শ্যামল।
যাদের নামে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা রানা ভাণ্ডারী (৪০) ও তার ছোট ভাই মামুন (৩০),তারা কেওয়া পুর্ব খন্ড গ্রামের নুরুল ইসলাম (নুরু)কসাইয়ের ছেলে।
দোকান মালিক ফয়সাল আহমেদ আহমেদ জানান, রানা ভাণ্ডারী বিভিন্ন সময় তার দোকান থেকে থাইস বিভিন্ন ধরনের মালামাল ক্রয় করতেন। আগে তার কাছে কিছু টাকা পাওনা আছে।
গত ৯ মে শনিবার রানা ভাণ্ডারী ৭২ হাজার টাকার থাই মালামালের ক্রয়ের জন্য আসেন। এসময় তিনি ৩০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন।
মঙ্গলবার বাকি ৪২ হাজার টাকা পরিশোধ করে মাল নেওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার বিকেলে থাই গ্লাস নিতে আসলে ৪২ হাজার টাকা চাওয়া কারনে রানা উওেজিত হয়ে দোকানের কর্মচারী শ্যামলকে মারধর শুরু করে পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
পরে রাত ৮টার দিকে রানা ভাণ্ডারী ও তার ভাই মামুনের নেতৃত্বে ৩০/৪০ জন একত্রিত হয়ে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে মার্কেট মালিক কামাল ফকির ও তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ম্যানেজার শাহিন ও শান্ত আহত হয়। এসময় দোকান মালিক ফয়সালকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছুড়ে। গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এঘটনার পর এলাকায় ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নাসির আহমেদ বলেন,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে,যেহেতু সিসি ক্যামেরা রয়েছে ভিডিও ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে বাকীর জন্য ব্যবসায়ীদের গুলির ঘটনা, নাকি অন্য কোনও কারন। এটা তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছি, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :