জলঢাকায় মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

নীলফামারীর জলঢাকায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা কার্যক্রম (মউশিক) শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (২০ মে ২০২৬) সকালে পৌর শহরের দক্ষিণ কাজীরহাট মডেল মসজিদে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ আব্দুল আলিম। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মডেল কেয়ার টেকার মাওলানা আব্দুল আজিজ। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ্ সালাফি এমপি, প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ নীলফামারীর সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, শুভ উদ্বোধক ছিলেন উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপার ভাইজার হেফাজুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতের আমীর মোখলেছুর রহমান মাস্টার, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও প্রেসক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব কামারুজ্জামান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোয়াম্মার আল-হাসান, সহ-সেক্রেটারি এ এ এম মুজাহিদ মাসুম এবং মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন। 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবিউল ইসলাম, আবুল কালাম, নুরুজ্জামান খাঁন, শায়েখ আব্দুর রহমান, হালিমুর রহমানসহ মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মউশিক শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। 

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নীলফামারী-৩ মাওলানা ওবায়দুল্লাহ্ সালাফি এমপিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এসময় মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ্ সালাফি এমপি বলেন, মসজিদ ভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়া অনেক শিশু শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। ইসলামিক নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আদর্শিক শিক্ষার প্রসারে এই কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ সুনামের সঙ্গে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে ইতোমধ্যে মানুষের আস্থা অর্জন করেছে, তিনি আরও বলেন, এই অর্জন ধরে রাখতে হলে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশ এবং সমাজ গঠনে শিক্ষকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে বলে আমি আশাবাদী। অনুষ্ঠানজুড়ে হামদ-নাত, গজল ও ধর্মীয় পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

 

Link copied!