‎মান্দায় খাল পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধন" আশ্বস্ত করলেন ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু

‎ ‎মোঃ রায়হান আলী , মান্দা ‎(নওগাঁ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০ জুন, ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম

‎নওগাঁর মান্দায় কৃষি জমির জলাবদ্ধতা নিরসন ও খাল পুনঃখননের দাবি জানিয়ে র‌্যালি ও মানববন্ধন করেছেন কয়েকটি গ্রামের শতাধিক কৃষক। বুধবার (১০ জুন) সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার কালিকাপুর মৎস্যজীবীপাড়া ব্রিজ এলাকায় এ মানববন্ধন করা হয়। এতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

ভুক্তভোগী কৃষকদের সুবিধার্থে খাল পূর্ণঃ খনন করা হবে কিনা এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু খাল পুনঃ খননের জন্য আশ্বস্ত করে। সেই সাথে কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি ঢাকায় সংসদ অধিবেশনে রয়েছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কথা নয় কাজেই বিশ্বাসী, বাংলাদেশ  সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের অগ্রধিকার প্রকল্পের আওতায় খাল খনন ও পুনঃ খননের যে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে অল্প দিনের মধ্যেই নুরুল্লাবাদ গোয়ালমান্দা সাতবাড়িয়া গান পুনঃ খনন করা হবে ইনশাআল্লাহ।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল, নুরুল্লাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুব আলম, উপজেলা শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক দুলাল হোসেন, ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি শহিদুল ইসলামসহ শতাধিক কৃষক এই সময় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, উপজেলার গোয়ালমান্দা, চকউদয় নারায়ণ, বারিল্যা ও কদমতলী বিলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এজন্য গোয়ালমান্দা ঈদগাহ মোড় হতে কালিকাপুর মৎস্যজীবী পাড়া ব্রিজ পর্যন্ত খাল খনন করলে অন্তত ৩ হাজার বিঘা জমি দীর্ঘ সময় পানির নিচে তলিয়ে ফাঁকা জমিতে ফসল বৃদ্ধি পাবে। এ কারণে কৃষকেরা সেখানে কোনো ধরনের ফসল করতে পারেন না। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিলগুলোর পানি নিষ্কাশনের খালটি ভরাট হয়ে থাকলেও তা পুনঃখননের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বক্তারা বলেন, খালটি পুনঃখনন করা হলে বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হবে। এতে জলাবদ্ধতা দূর হওয়ার পাশাপাশি আমন ধানসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের আবাদ বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে খরা মৌসুমে খালের পানি কৃষিকাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। জলাবদ্ধতার কারণে প্রতি বছর তাদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। অনেক জমি অনাবাদি পড়ে থাকায় কৃষি উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়ছে। দ্রুত খাল পুনঃখনন করা হলে এলাকার কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

মানববন্ধন থেকে এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। 

Advertisement

Link copied!