সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী পুরান লাউড়েরগড় এলাকায় প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়দানকারী এক যুবককে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে গণপিটুনির পর তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ পরে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে।
বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোখলেছুর রহমান জানান, বুধবার (১৮ জুন) রাতে পুরান লাউড়েরগড় মাদ্রাসার সামনে নাজমুল হাসান হিমেল ও তার সহযোগী সোহাগ আহমদকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। নাজমুল হাসান হিমেল বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ছাতারকোণা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। সোহাগ আহমদও একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে ফেরার সময় তাদের আটক করে তল্লাশি চালানো হলে প্রায় ৯৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা তাদের একটি দোকানের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করে এবং পুলিশকে খবর দেয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, হিমেলের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার হওয়ার পর তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, হিমেল সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার চালান এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন।
ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ বলেন, হিমেল জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি একসময় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও পরে নিজেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এএসআই মোখলেছুর রহমান জানান, আটক দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
আপনার মতামত লিখুন :