ভারতের বিরুদ্ধে করাচিতে পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরে সাম্প্রতিক সশস্ত্র হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ নাকচ করেছে নয়াদিল্লি। এর আগে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি দাবি করেন, হামলার পেছনে ভারতের মদদপুষ্ট একটি গোষ্ঠীর হাত রয়েছে।
এই অভিযোগের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, করাচির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের গণমাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, অন্যের দিকে অভিযোগ তোলার বদলে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং রাষ্ট্রীয় নীতিতে সন্ত্রাসের ব্যবহার থেকে সরে আসা।
এদিকে হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পরিচিত সশস্ত্র সংগঠন জামাত-উল-আহরার। সংগঠনটির দাবি, তাদের নয়জন সদস্য এই হামলায় অংশ নেয়। বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরে আঘাত হানার পর নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় গোলাগুলি চলে। এতে পাকিস্তানের তিনজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হন এবং আরও কয়েকজন আহত হন।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, পাল্টা অভিযানে তিন হামলাকারী নিহত হয় এবং একজন আফগান নাগরিককে জীবিত আটক করা হয়।
হামলার পর পাকিস্তান পূর্ব আফগানিস্তানের পাকতিয়া, পাকতিকা ও কুনার প্রদেশে আকাশ ও স্থলপথে সামরিক অভিযান চালায়। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন, ওই অভিযানে ২৬ জন সশস্ত্র সদস্য নিহত হয়েছে এবং তাদের একাধিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, করাচির হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :