সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব পালনকালে নিজের সরকারি বেতনের প্রায় পুরো অংশই এতিমখানা ও মানবিক কাজে দান করতেন বলে দাবি করেছেন তার সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। পোস্টে মারুফ কামাল খান উল্লেখ করেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর খালেদা জিয়া তার প্রাপ্য সরকারি বেতন থেকে মাত্র এক টাকা গ্রহণ করতেন। বাকি অর্থ তিনি এতিমখানায় দান করতেন।
তিনি লেখেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনের পর ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। একই সঙ্গে তিনি মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী সরকারপ্রধান হওয়ার ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
মারুফ কামাল খান আরও দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খালেদা জিয়া তার বেতনের একটি বড় অংশ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করতেন। দরিদ্র, অসহায় ও এতিমদের সহায়তার পাশাপাশি তিনি অনেক মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীর পড়াশোনার খরচ বহন করেছেন।
তার দাবি, এসব মানবিক কাজ প্রচারের বিষয়ে খালেদা জিয়ার আগ্রহ ছিল না। তিনি নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।
পোস্টে একটি উদাহরণ তুলে ধরে মারুফ কামাল খান বলেন, ২০০১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী এক দরিদ্র শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার গ্রহণ করেছিলেন খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে সরকারের একজন যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আপনার মতামত লিখুন :