ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদকে চেয়ারম্যান করে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রী নারায়ণ চন্দ্র সরকার। তিনি বাঙ্গরা বাজার থানার শ্রীকাইল গ্রামের প্রয়াত রাখাল মাস্টারের পুত্র এবং বেনহাম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ছাত্রাবস্থায় তিনি ১৯৯৮ সালে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের নির্বাহী সদস্য ছিলেন।
নিযুক্ত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় শ্রী নারায়ণ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘বাংলাদেশ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত। আমার ওপর আস্থা রেখে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) মহোদয়ের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।’
পদাধিকারবলে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। ট্রাস্টি বোর্ডের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন স্পিকারের মনোনীত নিপুণ রায় চৌধুরী এমপি এবং সুবর্ণা সিকদার এমপি। পদাধিকারবলে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং সাবেক সচিব শ্রী তপন চন্দ্র মজুমদারকে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে রাখা হয়েছে।
ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা হলেন—জয়দেব রায় জয় (ফরিদপুর), দুলাল বিশ্বাস (গোপালগঞ্জ), বিপ্লব কুমার দে (রাজবাড়ী), শ্রী নারায়ণ চন্দ্র সরকার (কুমিল্লা), রাজীব ধর তমাল (চট্টগ্রাম), অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরী (ফেনী), দোলন ধর (কক্সবাজার), জনি দেব (কুমিল্লা), মনোরঞ্জন সিংহ (ঠাকুরগাঁও), স্বপন কুমার ভট্টাচার্য (রংপুর), শ্রীমতি তাপসী দত্ত (রাজশাহী), শুভ্র শংকর প্রসাদ (বগুড়া), শ্রীমতি মন্টি রানী সরকার (ময়মনসিংহ), স্বপন কুমার দাস (জামালপুর), সত্যানন্দ দত্ত (খুলনা), রূপক সিংহ (নড়াইল), সঞ্জয় গুপ্ত (বরিশাল), মন্টু চন্দ্র বৈদ্য (বরিশাল), সুদীপ রঞ্জন সেন (সিলেট) এবং অতীন দত্ত চৌধুরী (হবিগঞ্জ)।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. জেহাদুল বারীর সই করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, পদাধিকারবলে নিযুক্ত ট্রাস্টিরা ছাড়া অন্যান্য ট্রাস্টিদের মেয়াদ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে তিন বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তবে তিন বছর অতিক্রান্ত হলেও সরকার নতুন ট্রাস্টি মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

আপনার মতামত লিখুন :