সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় এক স্কুলছাত্রকে মারধর এবং তার কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ইসলামপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর (গণেশপুর) গ্রামের বাসিন্দা মুহাম্মদ নাজমুল হাসান জুয়েল।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জুয়েলের শ্যালক ইয়াছিন আরাফাত ফাহিম, যিনি ছাতক টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র, সকাল ৯টার দিকে সিএনজি অটোরিকশাযোগে গোবিন্দগঞ্জে পৌঁছান। সেখানে তিনি তার বড় ভাইয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় এক যুবক তার বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে ফাহিম নিজেকে ছাতকের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দেন।
অভিযোগে বলা হয়, পরিচয় দেওয়ার পর কোনো কারণ ছাড়াই রেদওয়ান নামের এক যুবক ফাহিমের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের দিঘলী চাকলপাড়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে রেদওয়ান আহমদসহ দুইজনের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা বলেন, একজন স্কুলছাত্রকে প্রকাশ্যে শুধুমাত্র নিজের পরিচয় দেওয়ার কারণে মারধরের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। একটি সভ্য সমাজে এ ধরনের সহিংসতা ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত দোষীদের শনাক্তকরণ এবং দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাটি তদন্তের জন্য উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলমকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
আপনার মতামত লিখুন :