নিখোঁজের একদিন পর স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা , বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম

নিখোঁজের একদিন পর স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

ফাইল ফটো

নিখোঁজের ১দিন পর নিজ বাড়ির সামনে পুকুরের পানিতে ভাসমান অবস্থায় ছিল ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুল ছাত্র জুনাঈদের মরদেহ। বুধবার বেলা ১ টা ১৫ মিনিটের সময় কেন্দুয়া থানা পুলিশ জুনাঈদের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধারের পর বিকেল ৪ টার দিকে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। জুনাঈদ কেন্দুয়া উপজেলার ৯নং নওপাড়া ইউনিয়নের বহুলী গ্রামের দিলুয়ার হোসেন ওরফে দিলু মুন্সীর ছেলে। সে নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়তো। জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই মঙ্গলবার ১২টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় জুনাঈদ। নিখোঁজের পর তার পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুজির পরও তার সন্ধান পাচ্ছিলনা।

অবশেষে বুধবার সকালে বাড়ির সামনের পুকুরের পানিতে একটি মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা এই মরদেহ জুনাঈদের বলে সনাক্ত করে। উদ্ধারের সময় তার মরদেহ নাক, মুখসহ বিভিন্ন স্থানে ফুলা ছিল। জুনাঈদের বাবা দিলুয়ার হোসেনের অভিযোগ প্রতিবেশি দয়াল মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে কয়েকদিন আগে ঝগড়া হয়।

এই শত্রুতার জের ধরেই দয়াল মিয়া ও তার লোকজন আমার ছেলেকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে পুকুরের পানিতে ফেলে রেখেছে। নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সারোয়ার জাহান কাউসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দিলু মুন্সী দাবি করছেন, প্রতিবেশি দয়াল মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে কয়েকদিন আগে তাদের ঝগড়া হয়।

এরই জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে তারাই স্কুল ছাত্র জুনাঈদকে হত্যা করে পুকুরের পানিতে ফেলে রেখেছে। তবে তিনি বলেন স্কুল ছাত্র জুনাঈদ নিখোঁজের পর থেকে দয়াল মিয়া পলাকত রয়েছেন। কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলামের ভাষ্য খবর পেয়ে জুনাঈদের মরদেহ তাদের বাড়ির সামনের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি নাক, মুখসহ বিভিন্ন স্থানে ফুলা ছিল। ময়না তদš রির্পোটের পর তার মৃত্যুর কারণ বেরিয়ে আসবে। জুনাঈদের পরিবার প্রতিবেশিদের দোষারোপ করলেও এব্যপারে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেয় নি।

 

সিয়াম সরিষা
Link copied!