নোয়াখালীতে পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশাচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

মামুন রাফী , নোয়াখালী জেলা সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ২৮ জুন, ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাওনা টাকা আদায়ের জেরে এক অটোরিকশাচালককে তুলে নিয়ে দুই দিন শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

ভুক্তভোগী মো. রিপন ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকায় বসবাস করেন। অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেম একই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে রিপন ও কাশেম যৌথভাবে ছাগলের ব্যবসা করতেন। একপর্যায়ে রিপনের কাছে কাশেমের প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওনা হয়। বর্তমানে রিপন নোয়াখালী সদর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিযোগ রয়েছে, এক বছর ধরে পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় কাশেম তাকে সদর উপজেলা থেকে তুলে নিয়ে ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রাখেন। সেখানে পায়ে শিকল বেঁধে দুই দিন নির্যাতন করা হয় এবং অর্ধাহারে-অনাহারে রাখা হয় বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, রিপনকে খুঁজতে গিয়ে স্থানীয় আরও দুই যুবকও অভিযুক্তদের হাতে আটক হন। পরে প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের সহযোগিতায় তাদেরও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, "পাওনা টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীকে তুলে নিয়ে শিকলে বেঁধে আটকে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে এবং অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Advertisement

Link copied!