নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশভিত্তিক শিক্ষা পরামর্শক ও ইমিগ্রেশন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘মুভস ইন্টারন্যাশনাল’-এর (Moves International) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি ব্যবসার আড়ালে মানি লন্ডারিং, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, বিগত সরকারের সময়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে রকিবুল ইসলাম ব্যবসায়িক প্রভাব বিস্তার করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিদেশে শিক্ষার্থী পাঠানোর কার্যক্রমের আড়ালে ভুয়া নথি ও ফাইল ব্যবহার করে অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো সরকারি নথি বা আদালতের সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
এছাড়া গাজীপুরে তাঁর একটি রিসোর্টে অবৈধ অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন স্থানীয় সূত্র। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে সুসম্পর্কের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে তিনি নিজের প্রভাব প্রদর্শনের চেষ্টা করেছেন। তবে এসব অভিযোগেরও স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি। আরও অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তিনি বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আড়াল এবং প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। তবে এ দাবির পক্ষেও স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, মুভস ইন্টারন্যাশনাল তাদের প্রচারণায় বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ভর্তি, ভিসা প্রক্রিয়া ও অন্যান্য সেবায় স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো প্রতিষ্ঠানটির সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। MOVES INTERNATIONAL-এর স্বত্বাধিকারী ও প্রধান নির্বাহী রকিবুল ইসলাম তার বক্তব্য জানান, স্টুডেন্ট কনসালটেন্সির আড়ালে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ" শীর্ষক প্রতিবেদনে আমার ও আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি এমন কোন ঘটনার সাথে জড়িত নই।
আপনার মতামত লিখুন :