বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের (জিএপি) সাংগঠনিক কার্যক্রম বেগবান করা ও নেতাকর্মীদের পারস্পরিক মেলবন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে একটি পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার সোনাতলা পৌর অডিটোরিয়ামে ‘গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ’—এই চার মূলনীতিকে সামনে রেখে আয়োজিত সভায় উপজেলার নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সোনাতলা উপজেলা শাখার এক বছর মেয়াদী ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সকল সদস্যের পরিচিতি পর্বের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
উক্ত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের বগুড়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “গণঅধিকার পরিষদ সর্বদাই সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। তৃণমূল পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি যত শক্তিশালী হবে, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন তত বেগবান হবে। সোনাতলা উপজেলার নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মেহনতি ও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে দল পাশে থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনাতলা উপজেলা শাখার সভাপতি শাহ শওকত কবির। তিনি বলেন, “আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। সোনাতলা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে গণঅধিকার পরিষদ, ছাত্র, যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদকে সুসংগঠিত করে আমরা একটি গতিশীল ও অধিকারমুখী সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করব। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সোচ্চার থাকব।”
পরিচিতি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্র অধিকার পরিষদের বগুড়া জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান পলাশ, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি এস এম মিনহাজুল ইসলাম মুন্না, জেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান সাগর, যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল আলম এবং জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সুমন খান।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, যুব, ছাত্র ও শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই পারে যেকোনো পরিবর্তনের সূচনা করতে। অঙ্গসংগঠনগুলোর শক্ত অবস্থানের মাধ্যমেই মূল দল গণঅধিকার পরিষদ আরও সুসংগঠিত হবে। অনুষ্ঠানে জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :